বন্ধুরা আমি স্নিগ্ধা। চলে আসলাম নতুন একটা ফাটাফাটি গল্প নিয়ে।
নতুন অফিসে এক মাস হল জয়েন করেছি। আজ সন্ধ্যেবেলা অফিস পার্টি আছে। এই প্রথম আমি কোন অফিস পার্টি জয়েন করতে যাচ্ছি আগে সেরকম কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তবে বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে একটু হলেও ভয় এবং হালকা লজ্জা লাগছে। তার প্রধান কারণ কালকের সুনিতাদির দেওয়া কিছু উপদেশ।
সুনিতা দি এই কোম্পানিতে মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করে। এই সুনিতা দি আমাকে এই কাজটা দেখে দিয়েছিল যখন সত্যি আমার এই কাজটা খুবই দরকার ছিল; কলকাতা এসে পড়াশোনা শেষ করার পর যে কোনো কাজ না করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কলেজে পড়ার সময় থেকেই আমার রুমমেট ছিল সুনিতা দি। প্রায় তিন বছর হলো ও এই কোম্পানিতে আছে।
কাল অফিস থেকে বেরোনোর আগে সুনিতা দি বলল -“শোনো স্নিগ্ধা, কাল কিন্তু অফিস পার্টি আছে। বস এবং সিনিয়র ম্যানেজারদের একটু খুশি করতে পারলেই তোমার চাকরিটা কিন্তু পার্মানেন্ট হয়ে যাবে।”
আমি বললাম -“খুশি করতে হবে মানে তুমি কি বোঝাতে চাও?”
সুনিতা দি বলল-“আরে তেমন কিছু নয়। আসলে পার্টিতে সবাই ড্রিঙ্ক করে থাকে তো। ধরো বস এবং ম্যানেজার তোমার সঙ্গে একটু রসালো রসালো কথা বলল বা তোমার একটু প্রশংসা করলো। বা তোমাকে একটু টাচ করে দেখলো। তবে এটা খুবই স্বাভাবিক তুমি এটাকে মজা হিসেবেই নিও। কলকাতায় এই ধরনের ব্যাপার হামেশাই ঘটে। আমিও এটা খুব স্বাভাবিকভাবেই নি বলেই আমার অনেক কথাই অফিসের ম্যানেজার শোনে, যেমন তোমার চাকরিটাও আমার বলাতেই হলো।”
যাই হোক কাল সুনিতা দির কথাগুলো শুনে বেরিয়ে এলাম। প্রথম প্রথম একটু ভয় লাগলেও পার্টিতে যাওয়ার আগে ভাবলাম যে এইটুকু ঘনিষ্ঠতা করা যেতেই পারে। এখানে সবাই বন্ধুর মতোই। অফিসের বস এবং সিনিয়র ম্যানেজারের বয়স যথাক্রমে ৫০,৪৫ এর মতো হবে। হয়তো অতিরিক্ত কাজের প্রেসার এবং বাড়িতে একঘেয়ে যৌন জীবনের জন্যই হয়তো আমাদের মতো নতুন কলিগদের সঙ্গে এই ধরনের মজা করে থাকেন এনারা। এইসব ভাবতে ভাবতেই যে ক্লাবে অফিস পার্টি হওয়ার কথা ছিল সেখানে চলে এলাম।
এসে দেখি অফিসের প্রত্যেকে এখানে আছে। সুনিতা দি আমার আগেই পৌঁছে গিয়েছিল, আমাকে দেখেই ভেতরে ডেকে নিয়ে গেলো। বলল -“আর শোনো ক্লাব হাউস এর উপরে রুম বুক করা আছে। কিছুক্ষণ পরে আমি যখন ডাকবো সঙ্গে চলে এসো, ঠিক আছে।”
সুনিতা দির সঙ্গে গল্প করছি এমন সময় হঠাৎ সিনিয়র ম্যানেজার এসে বলল -“গুড ইভিনিং ডিয়ার। হাউ আর ইউ? ইউ আর লুকিং সো বিউটিফুল অ্যান্ড গর্জাস।”
বলে আমার হাতে উনি একটা রেড ওয়াইনের গ্লাস ধরিয়ে দিলেন -“স্নিগ্ধা আমি জানি হয়তো এটা তোমার ফার্স্ট টাইম ড্রিং এক্সপেরিয়েন্স। তবে জীবনে একবার হলেও সব কিছু ট্রাই করা উচিত।”
আমিও ওয়াইন গ্লাসে এক চুমু দিলাম। যদিও ককটেলটা খুব একটা খারাপ বানায়নি। এমতাবস্থায় সিনিয়র ম্যানেজার পিছন থেকে আমার পাছায় একটু হাত বোলাতে লাগলো-“নাইস বাবল্ পীচ “। এই প্রথম আমার পাছায় কোনো পুরুষের হাত পড়ল, তাই প্রথমে একটু হলেও কেঁপে উঠেছিলাম যা দেখে সুনিতাদিও একটু হাসলো।
স্যার বলল-“এখানে অনেকেই আছে, সবাই দেখতে পাবে তাই একবার হাত বুলিয়ে সরিয়ে নিলাম। তবে একটু পরেই ক্লাব হাউস এর উপরে রুমে এসো আশা করি সুনিতা তোমাকে সব বলে দিয়েছে। তবে এটা নিয়ে বেশি লজ্জা পেওনা বা খারাপ ভাবে নিও না। আসলে এটা অফিসের সিনিয়র এবং জুনিয়রদের মধ্যে ইন্টারেকশন এর জন্য করে থাকি আমরা। আর তোমার চাকরিটা তাড়াতাড়ি পার্মানেন্ট হয়ে যাবে।”