বন্ধুরা, আবারো নতুন গল্প নিয়ে চলে আসলাম,।” ভাইপোকে নিয়ে মজার একটা কাহিনী আজ আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করবো। নতুন নতুন গল্প শোনার জন্য আমার ব্লগ সাইট ব্লুবাজি ডট কম ভিজিট করো। আমি উচ্চবিত্ত সমাজের একজন গৃহবধূ।” এ বছর পয়ত্রিশে পা দিয়েছি,।” মেয়ে হিসেবে আমি বেশ বড়ো সড়ো দেহের অধিকারিণী।” একদম নাদুস নুদুস ফিগার। থলথলে। যেই দেখবে আমার প্রেমে পড়ে যাবে। এক অলস দুপুরে আমি একা একা ড্রয়িংরুমে বসে ছিলাম।” তখন পরনে ছিলো গতো রাতের অর্ধস্বচ্ছ কোমর সমান নাইটি।” আমি মাত্রই ঘুম থেকে উঠেছি, তাই চুলগুলো রুক্ষ ও এলো মেলো।” চল্লিশ বছরের বিশাল ব্যবসায়ী সতিশ বিবাহিত জীবনের প্রায় শুরু থেকেই প্রচন্ড দুর্বল,।” গতো প্রায় ছয় মাস ধরে সে বলতে গেলে পারেই না।” গেলো রাতে অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও সে দার করাতে পারে নি।” হঠাৎ কলিং বেলের শব্দ।” উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেখলাম, সতিশ দাঁড়িয়ে আছে।” মুখে তার বোকার মতো হাসি।” সাথে কুড়ি একুশ বছর বয়সী একটা রোগা ধরনের ছেলে,।” তারপর সতিশ আমাকে বললো - “তোমাকে অন্তরের কথা বলেছিলাম না? ওই যে আমার গ্রামের আত্বীয়ের ছেলে, শহরে এসে পড়াশোনা করবে, এই সেই অন্তর।” তখন আমি অন্তরকে একবার আপাদমস্তক দেখে নিলাম,।” পরনে শার্ট আর পায়জামা,।” নিম্নবিত্তের ছাপ চেহারায়,।” একমাথা চুল, শ্যামলা রং,।” রোগাটে হাত পা, লম্বায়ও আমার ইঞ্চি তিনেক কমই হবে,।” বিস্ময় আর ভয় কাজ করছে ওর চোখে মুখে,।” আমি ব্যাপারটা ধরতে পারলাম,।” সারাজীবন গ্রামের রক্ষণশীল পরিবেশে কালো কুৎসিত মহিলাদের দেখে যে বড়ো হয়েছে তার কাছে হঠাৎ আমার মতো এই রকম দেবী মূর্তির দর্শন পাওয়া বিস্ময়ের কারণ হবে এটাই স্বাভাবিক।”